সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ফাগুনপর্ব-১

ফাগুন পর্ব-১
সাঝেঁর মায়ায় ডুবন্ত নগরীর
ঘৃণ্য গলির কোনো এক অভিশপ্ত চিলোকোঠায় 
এক কলম যোদ্ধা
ক্রমাগত নিষ্পলক চোখে ভাষা খোজেঁ।
ফাগুনের কৃঞ্চচুড়ার রক্তিম মোহাচ্ছন্নে
অতীত ঝাপটে ধরে 
ভিসুভিয়াসের অকস্মাৎ লাভা উদগিরণে..
সভ্যতাকে ধুলোয় মিশিয়ে,
উড়ানো ছাইয়ের চা কাপে -
রাউন্ডটেবলে বসে সাম্রাজ্যবাদীরা দখলে নিচ্ছে ভাষা,
জীবন্ত মানুষ,মানুষের শরীর,মানুষের নিঃশ্বাস।
কলমের খোঁচার তীব্রতায় আমরা উল্টে দিচ্ছি
সমাজ,ভাষা,জাতি,রাষ্ট্র।
অস্থায়িত্বের ছায়ামঞ্চে;
সৃষ্টির প্রসব বেদনাকে ভুলে,
নির্বোধ মানুষেরা হেটে চলছে প্রকৃতির উল্টোপথে।
বিপরীত্য হাজির এই থিয়েটারে,
সঙ্গমরত প্রেমিক-প্রেমিকার নিঃশ্বাসের গভীরে
সভ্যতায় তলিয়ে যাওয়ার সশঙ্কিত কামে,  
বারবার ঝাপটে ধরা একই ক্যারাভানে,
মরুভূমি পাড়ি দিতে ভালবাসার পথে..।।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

এই সময়ে এম এন লারমা: যিনি মৃত্যুর পরও নিপীড়িত জনগণের মুক্তির দিশারী;

  এই সময়ে এম এন লারমা: যিনি মৃত্যুর পরও নিপীড়িত জনগণের মুক্তির দিশারী; ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০     পোট্রেটঃ পাপিয়া চাকমা,জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার শিক্ষার্থী;     [গত ১৫ সেপ্টেম্বর এন লারমার ৮১ তম জন্মদিবস ছিল।১৯৩৯ সালের তিনি রাঙামাটির “মাওরুম“ নামে ছোট্ট নদীর/ছড়ার তীরে মাওরুম গ্রামে জন্মেছিলেন। এম এন লারমা কারো কাছে পরিচিত ‘লিডার’,তাঁর ভাই বোনের কাছে পরিচিত মঞ্জু নামে,জুম্ম জনগণের প্রায় সকলের কাছে তিনি অবিসংবাদিত নেতা,পার্টির নামে তিনি পরিচিত “প্রবাহণ “।তাঁর পুরো নাম মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা।মহান এই নেতাকে  জানাই লাল সালাম।গত কয়েকদিন আগে তাঁকে নিয়ে অনেকে লিখেছেন,,বলেছেন,আবেগাক্রান্ত হয়েছেন,শ্রদ্ধায় মাথা নত করেছেন এবং কেউ কেউ  বিরুদ্ধাচারণও করেছেন।আমি মনে করি ,এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এম এন লারমার কর্ম,সাধনা,চিন্তার যথার্থ মূল্যায়ন হওয়া দরকার। নিপীড়িত জুম্ম জনগণ এবং ব্যাক্তি এম এন লারমার লড়াইকে একই সূতায় গাঁথা দরকার।এবং পার্বত্য চুক্তি উত্তর প্রজন্মে জুম্ম জনগণের লড়াইকে এগিয়ে নিতে সঠিকভাবে এম এন লারমাকে   উপস্থাপনও এই স...

মহালছড়িতে সেনা-সেটলার হামলার ১৭ বছর : হয়নি এখনো বিচার

                 ছবি:ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত আজ মহালছড়িতে সেনা-সেটেলার হামলার ১৭ বছর।২০০৩ সালরে ২৬ আগস্ট মহালছড়ি উপজেলায় সেনাবাহিনী-সেটেলার বাঙালি যৌথভাবে জুম্মদরে উপর এ হামলা চালায়।নৃশংস এ হামলার ১৭ বছর পেরিয়ে গেলেও সরকার হামলার সাথে জড়িত সেনা-সেটলারদের আজো বিচার করেনি। মহালছড়ির জুম্ম অধ্যুষিত ৫ টি মৌজার ১৪ টি গ্রামের ৩৫০টি ঘর পুড়িয়ে দেয়া হয়।এতে ২ জন জুম্ম(এক শিশু) নিহত,প্রায় শতাধিক আহত এবং ১০ জন জুম্ম নারীকে র্ধষণ করা হয়।এক হিসাবে,জুম্মদের প্রায় ৩০ লাখ টাকার সম্পত্তি,মালামাল লু›ঠন ও ধ্বংস করা হয়। হামলায় যাঁ রা নেতৃত্ব দেনঃ ০১.মহালছড়ি জোনের ২১ ইবিআর সদস্যরা; ০২.মি.আবুল কালাম আজাদ; ০৩.জহিরুল ইসলাম; ০৪.নুরুল ইসলাম; ০৫.মো.আব্দুর রশিদ; ০৬.মো.জামাল উদ্দীন; ০৭.অজিত কান্তি দাশ; ০৮.রতন কুমার শীল; ০৯.জসিম উদ্দীন; ১০.ডা.প্রদীপ কুমার চৌধুরী; ১১.তাপস বড়ুৃয়াসহ অনেকে.. যাঁরা হামলায় প্রত্যক্ষ মদদ দেয় - ১.মি.ওয়াদুদ ভূইয়া,২৯৮ নং আসনের সংসদ সদস্য,বিএনপি নেতা,সেটেলারদের সর্দার; ২.মি.হুমায়ন কবির খান,জেলা প্রশাসক,খাগড়াছড়ি; ৩.মি.মতিউর রহমান শেখ,পুলিশ সুপার,খাগড়াছড়...

পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনী কতৃক জুম্মদের উপর গণহত্যা - লংগদু পর্ব(১)

       লংগদু গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাকায় পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের মৌন মিছিলের ছবি;ইন্টারনেট থেকে                সংগৃহীত। বাংলাদেশ সরকার সমতলের চার লক্ষ সেটেলার বাঙালিকে পার্বত্য চট্টগ্রামে পূর্ণবাসন করেছে । এ বিশাল জনসংখ্যা পূর্ণবাসন করতে তাঁরা জুম্মদের ভূমি জোরপূর্বক দখল করে , সেনাবাহিনী - পুলিশ - আনসার ( ইসলামিক গার্ডস )- বিডিপি - বিডিআর - সেটলারদের দিয়ে গণহত্যা চালায় । হাজার   হাজার জুম্মকে হত্যা করে  এবং লক্ষাধীক শরনার্থী ভারতের ত্রিপুরা , মিজোরামে আশ্রয় নেয় । সরকার ২৫ জুন ১৯৮৯ সালের পার্বত্য জেলা পরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে   বহিরাগত সেটেলার বাঙালিদের আইনগত বৈধতা দেয় । জুম্ম জনগণ এ নির্বাচন বর্জন করে । লংগদু গণহত্যার প্রেক্ষাপট : ০৪মে ১৯৮৯ , সবহিরাগত সেটলার সর্দার আব্দুর রশীদ সরকার অজ্ঞাত ব্যাক্তিদের হাতে খুন হন । বলা হয় আসন্ন ২৫ জুন ১৯৮৯ লংগদু উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচনে প্রতিনিধিত্ব করতে বিদ্রোহী প্রার্থী সেটলারদের অর্ন্তকোন্দলে তাঁকে খুন ...