সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

ফাগুনপর্ব-১

ফাগুন পর্ব-১ সাঝেঁর মায়ায় ডুবন্ত নগরীর ঘৃণ্য গলির কোনো এক অভিশপ্ত চিলোকোঠায়  এক কলম যোদ্ধা ক্রমাগত নিষ্পলক চোখে ভাষা খোজেঁ। ফাগুনের কৃঞ্চচুড়ার রক্তিম মোহাচ্ছন্নে অতীত ঝাপটে ধরে  ভিসুভিয়াসের অকস্মাৎ লাভা উদগিরণে.. সভ্যতাকে ধুলোয় মিশিয়ে, উড়ানো ছাইয়ের চা কাপে - রাউন্ডটেবলে বসে সাম্রাজ্যবাদীরা দখলে নিচ্ছে ভাষা, জীবন্ত মানুষ,মানুষের শরীর,মানুষের নিঃশ্বাস। কলমের খোঁচার তীব্রতায় আমরা উল্টে দিচ্ছি সমাজ,ভাষা,জাতি,রাষ্ট্র। অস্থায়িত্বের ছায়ামঞ্চে; সৃষ্টির প্রসব বেদনাকে ভুলে, নির্বোধ মানুষেরা হেটে চলছে প্রকৃতির উল্টোপথে। বিপরীত্য হাজির এই থিয়েটারে, সঙ্গমরত প্রেমিক-প্রেমিকার নিঃশ্বাসের গভীরে সভ্যতায় তলিয়ে যাওয়ার সশঙ্কিত কামে,   বারবার ঝাপটে ধরা একই ক্যারাভানে, মরুভূমি পাড়ি দিতে ভালবাসার পথে..।।

একটি বুলেট,একটি গভীর ক্ষত

NOVEMBER 11, 2019   ·   সম্ভবত ২০০২-০৩ সালের দিকে আমার মেঝো কাকা রক্তক্ষয়ী সংঘাতে বলি হয়েছিলেন। তখন আমি ছোট,ভালো-মন্দ বুঝার বয়স হয়নি।তবুও অবচেতন মন হঠাৎ করে কোনো ঘটনা দ্বারা প্রভাবিত হয়ে পুরনো সময়,স্মৃতিগুলো ঝাপটে ধরে। তখন জানতাম না আমার কাকাকে কারা মেরেছে?কেনই বা মেরেছে?কাকা কি এমন ক্ষতি করেছে যে স্বজাতি ভাইদের হাতে জীবন দিতে হলো? বয়স বাড়ার সাথে সাথে কিছু বিষয়ে আমি স্পষ্ট হই। আমার কাকা ইউপিডিএফ রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন।অসুখে ছুটি নিয়ে বাড়ি আসে।এসময় জেএসএস সশস্ত্র শান্তিবাহিনীরা বাড়ি থেকে কাকাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।এরপর নৃশংসভাবে গুলি করে হত্যা করে। আমার বাবা,দাদু,ছোট কাকা,মামা ও আত্নীয় স্বজনরা আপ্রাণ চেষ্টা করে ও কাকার মৃত লাশ ফেরত পায়নি। আমার মা ও আত্নীয় স্বজনদের কাছে শুনেছি,বাড়ি থেকে অপহরণ করে জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে কাকাকে প্রথমে পায়ে বুলেট বিদ্ধ করা হয়,এরপর বুলেটে বুক ঝাঁঝরা করে অর্ধমৃত অবস্থায় রাখা হয়।কাকা তখন নাকি স্বজাতি অস্ত্রধারী ভাইদের কাছে বাঁচার আকুতি মিনতি করছিলেন।কিন্তু আহত অবস্থায় কবর খুঁড়ে তাকেঁ জীবন্ত মাটিচাপা দেওয়া হয়। ছোটবেলায় আমি হয়তো খুব বেশি দুষ্...